২৫১১

ভারতীয় আর্ধ্য

আদিম অবস্থ!

টি

হুগ্রি নন্ধ্যাল স্কুলের প্রধান রী টে বা সি

জ্রীলালমোহন বিদ্যানিধি ভট্টাচার্য্য

প্রণীত

“প্রাংশুলভ্যে ফলে লোভাছুদ্ধাহারিব বামন$” কলিঙ্ীন।

স্পট (08) ডি বন

ঘন) 72717707৮10) 9877 0৮

|780181৭ 87 2845 চ% 1,১60 &াঘ ৬1) &খি] রা [দল 1750ঘ 81584

মাহ৬0 2ম] মত], 02৫ 8]। 9071001,

সপ্পএে ৫8

কলিকাতা ২৪, গিরিশ-বিদ্যরত্বদ্‌ লেন, 2 বিদ্যারত্ব যন্ত্রে

শত 070০1,

1)7517)10ঞ770 2

10 917 &])7131010 0110) উ, 8৪ 010 1)876010)" 0/ 1১40110 17317101107) 1367001 &০০.-&6,

11010006081,

1১০111019 01 যা (7০2690 01) (100 1)11010170 50509 0 10016). 81781)3 চ010 80 70001151160 17 009 চ্যে০ 1১৪0108 139787] [1 2281705--5708087800) 04 £781)0009780110,.5 11056 2)0% 00100110160 01)0 000)- 1151)60 0110 01111) 10517630116 0010 26 0006 0210086 1000036 01 80109 ০01 2] 00000860 200 096০012000. 11101103,

371 ড001)01100 06 610 1000 01 000 30100] 10008. (10191 11082600196) 200 1) ])0101)10 801%1)0 11 [1)0 57100, 10 636900] 2170 010610109 1010101] 10 6058703 00. 730৮ হু 10650 70111) 1010 10]) 1 000) 200896]7 81107 06 1101) 03910. 11) 11101 1 1010 00) 1100 100 1108501 0)2৮ 671)069, 110 1)1171019 506৮01) 13 11101 60 199 2000])660) মা)০] 06260 ফা)0]। 018:910] 1)086) ] ৮6)16010 60 800)70801॥ ০৪ ৮101) 01105 946) 010) 12910 21)0 0110796100,

].:161021)) 15631990660 ৪11 :00050157 ০০ 1036 0)611606801)0100]6 80০80 ৪009, 1891 [৮৮07 &ম ড084810ঘ]) 1262৫ £07/211, 78801 8০৮71827091.

উত্নর্গ-পত্র।

মহামহিম মাঁনাবর শ্রীল শ্রান্কত মহামতি নার আল্ফেছ্‌ ক্রক্ট এম. দি. আই. ই,

শি্গাবিভাগের অধ্যঙ্গ মহোদয় সমীপেষু

যাবি হতসক্মানপুরঃদরপবিনয়নিবেদনম--

মাহাদয়

মতগ্রণীত “ভারতীর আর্মাজাহির আদিম অবস্থা এই

শীর্ঘক প্রবন্ধের কিয়দংশ আর্ধ্যদর্শনে কিয়দংশ বঙগদর্শনে প্রকাশিত হইয়াছিল। এক্ষণে উহা পুস্কাকারে মুদ্রিত হওয়া আবশ্তক জ্ঞানে কতিপয় উদারচেতা অভিজ্ঞ মহাত্মার অনুরোধের বশবর্তী হইয়। কতক গুলি নৃন প্রস্তাব লিখনপু্পক গ্রবন্ধের উপক্রদণিকা-ভাগের সাগ্গতা মম্পাদন করিলাম।

আপনি বঙ্গদেশীয় রাজকীয় শি্গাদমাজের অধিপতি। আমি ভবদীয় অনুগ্রহের একান্ত অধীন নিতান্ত আশ্রিত। আপনাকে আমার সম্মান করা অবশ্য কর্তব্য কিন্তু যাদ্বারা আপনাকে যথাযোগ্য সন্মান করিতে পারা যায়, আমার এমন কোন বস্ত্র নাই। তবে শরণাগত ব্যক্তি শরণ্য জনকে আন্ত রিক যত্্রের সহিত সামান্য বন্ত নিবেদন করিলেও সদাশয় মহামনা ব্যক্তিবর্গ শরণাগত জনের মনোবাঞ্া পূরণ জন্য উহ! রীতি প্রদত্ত বিয়া প্রদুক্টচিতে প্রস্রাবে গ্রহণ করেন।,

[19০ ]

এই মৃহাজন-রীতি অনুসরণ করিয়া মদীয় সামান্য লেখা ভবদীয় কপা-সমীপে উপায়ন-স্বরূপ সমর্পণ করিলাম

মদীয় লেখা মনোহারিণী না হইলেও ভারতীয় আর্ধ্য- জাতির অবস্থা-রূপ অপুর্ব শ্রী অতিপুজ্যা। সেই পুজনীয়| আদ্য! এক্ষণে সহারশূন্যা। মহামতি আপনি সরস্বতীর বর- পুত) মহোদয় অন্ধীবান্‌ হইলেই তাহার ছুরবস্থা দুরীকৃত হই- বার সম্পূর্ণ সম্ভাবনা

একান্ত বশংবদ শ্রীলালমোহন শর্মা চূড়া ণঁ জুন, ] হুগ্রি নন্খ্যাল স্কুল

সুচীপত্র |

বিহয় পৃষ্ঠ | বিষয় পৃ

অনাথ-শরণ ৫৭ ; গর্ভাধান ২০৫।২১০

অনুক্রমণিকা ১. গাহস্থ্য আশ্রম ১৬৭

অন্নাশন ২১৭ চিত্রনৈপুণ্য ১৪৯

অপ্রাপ্তব্যবহারাশ্রম ৫১ চুড়াকরণ ২১৮

অভিযোগ বিষয় ৮৩ জাতক রণ ২১৩

আতিথ্য ২৫৩ | জালকারীর দণ্ড ১২১

আত্মা পরমাত্ম! ২৭৮ | জ্যেষ্টত্ব কনিষ্টত্ব ১১৭

আধ্যাত্মিক ভাব ১৮৩ : ? ২২৬

আঁরাধনার ফল ২৮১ |

আশ্রম ১৫৫ |

আশ্রম-গ্রহণের ক্রম ১৬৪

ঈশ্বরের মনষ্যাবতার ২৭৩

উপক্রমণিকা ১৯.

উপনয়ন-সংস্কার ২১৯

উপনয়নের কাল ১৫৬ নামকরণ

উপাধি সম্মীন ৯৬ নিজ্ঞামণ

উপাদন। ২৫৭ | পঞ্চ মহাষজ্ঞের ফল

উপাসনার ভ্রম ২৪৪ পরিবারবর্থের সহিত,

কন্য।বিক্রযদোষ ২০১ বিবাদ অযৌক্তিক

কলিযুগের নিষিদ্ধ আচার. | পারবেদন'দৌষ ব্যবহার ১৬৯ | পুংসবন

কুনীদ বাঁ বৃদ্ধি! 4৪ | পুজা

কোধাগার বিষয় ৫« | পূর্তকার্ধ্য

১৩৭ ১৬৮ ২১১ ২৭৯ ১৭৪.

1 বিষয় পৃষ্ঠ গ্রমাদ- গ্রহণ ২৮৩ গ্রায়শ্চি্ত ২৭১ প্রার্থনা ২৮২ বলি পুজা ২৭৭ বহুগত্তীর বিষয় ১৬৫ বাল্য-বিবাহ ১৯৮ বরহ্মনিরপণ ২৮৫ ভৃত্যগণের ভূতি বেতন ৭৯ ভোজ দ্রব্য ১১৪ মন্্রিগণের কাষ্কিতাগ মধ্যাদা | ১১৬ মলমাঁস ২৩৭ মিথা সাক্গা ১২০ লেখ্য-ভেদ ৭২ লৌকিক ব্যবহার ১৪৭ বিচার বিচারদর্শনের কাল

নিগ্ধারণ ৬৯ বিধবাবিবাহ ১৬১ বিবাদ-বিষয় ১২৯ 'বিধাহ ১১৮ বিবাহ-বিধি ১২২ বিবাহ-বিষয়ক আচার ১৪২

৪১৭ সং নমাজের ক্ষমতা সমাবর্তন

বিষয়

বিবাঁহযোগ্যা কন্যা বিবাহ-সংঙ্কার

বিবহের কাল

বাধসায়বিভাগ

ব্যবহার বিষ শাদন-গ্রথালী

মনুয়সমূখান মাঁকাঁর নিরাকার মাক্গি প্রকরণ

নাক্গি বিষয়াদি সাক্ষ্য গ্রহণ-কালাদি সা্বিকাদি ক্রিয়া নাধবী ভার্ধয। সীমন্তোন্নয়ন সুষ্টিগ্রক্তিয়া ্রস্বাধীনতা

হলসামগ্রীকথন

পৃষ্ঠ ১৭ ১৪ ১৯৩ ১০৯ ১৪৪ ৩৩।৬২ ২৭০

২৮৭

২৫৫

১৭৮ ৭৫

২২৩

পীত্রীদুর্গা

শরণম্‌। মঙ্গলাচরণ। পূজ্যগাদ স্বগীয় ৬কৃষ্ণানন্দ বিদ্যাবাচস্পতি ভট্টাচার্য্য জোষ্ঠতাত মহাশয় শ্রীচরণকমলেু তাত!

আমি নিতান্ত ক্ষুদ্রমতি,চপলতাবশতঃ ভারতীয় আর্ধ্যজাতির আদিম অবস্থা-রূপ মহাবিদ্যার অর্চনা আর্ত করিয়াছি। আপনি আমার গুরু পরম দেবতা। পুজার সন্কপ্লী করিবার পরেই সর্বাগ্রে গুরুপুজা অবশ্ঠকর্তব্য। তদন্থদারে ভবদীয় শ্রীচরণ বন্দনা করিলাম এই ব্যাপারে অধ্যাপকবর্গের পাদপন্ম ধ্যান করা! আমার সর্বাতোভাবে উচিত তদন্ুদারে পুজ্যপাদ প্রাত:- স্মরণীয় সুর চীর্য্যকন্ন স্বর্গীয় জয়নারায়ণ তর্কপর্ধানন ভট্টাচার্য্য, তথ! ভরতচন্ত্র শিরোমণি ভট্টাচার্য্য, তথা প্রেমচন্ত্র তর্কবাগীশ ভট্টাচার্য, তথ! তারানাথ তর্কবাচম্পতি ভট্টাচাধ্য, এবং অশেষ- বিদ্যাধ্যাপক পজ্যপা্দ মহামতি শ্রীলশ্রীযুক্ত ঈশ্বরচন্ত্র বিদ্যা সাগর মহোদয়দিগের পাদপদ্ের অমৃতান্বাদনে পৃত হইয়া মহাবিদ্যার পুজায় প্রবৃত্ত হইলাম। আপনি আমার অধ্যাপক- বর্গেরও পুজ্য সন্দেহভঞ্রনের একমাত্র পাত্র ছিলেন বলিয়। আপনকার পুক্া সর্বাগ্রে করিলাম। পুজ্যপূজাব্যতিক্রম-.

[0%০ ]

দোষ, মহাবিদ্যার অর্চনার অঙ্গহীনতা অন্ঠান্ত নানতা যেন আপনাদিগের শ্রীচরণপ্রসাদাৎ পরীহার হয়। এই স্বস্ত্যয়ন দ্বারা আঁমার সর্ধবিদ্নবিনাশ, গাঁপক্ষয় সন্বপ্পসিদ্ধি হইবে।

ভবদীয় ৭ই ো্ট, ] গ্রণত সেবক বংসল ত্রাতৃপুত্র সংবৎ ১৯৪৮ ্রীলালমোহন শর্মা

মহেশপুর

মুখবন্ধ।

ভারতবর্ধই বর্ণতুষ্টয়ের সৃতিকা গৃহস্বরূপ | জাতিচদুষটয়ের মধ্যে ব্রাহ্মণ, হষত্রিগ্ন বৈশ্ঠ দ্বিজাতিপদবাচ্য। চতুর্থ অর্থাৎ শৃ্জাতি একজ | এই চারি জাতি ব্যতীত অপর জাতি নাই। বাঙ্গণাদি বর্ণত্রয়ের সাধারণ নাম আর্ধ্যজাতি। শূদ্রজাতি (চতুর্থ অর্থাৎ একজ) সামান্যতঃ অনার্ধ্য সংজ্ঞায় অভিহিত হয়। আর্ধ অনার্ধ্য উভয়েই ভারতের আদিম 'অধিবাসী। ভারতবর্ষ ব্যতীত অন্য কোন বর্ষে বর্ণবিভাগ নাই। নরগণ পূর্বজন্মের স্থকৃত ছুদ্ধুত কর্মের ফলে উত্তম বা অধম যোনি প্রাপ্ত হন। ভারতবর্ষ কর্মৃভূমি বলিয়া! শাস্ত্রে কথিত আছে। অন্ত বর্ষগুলি কর্ধফলের ভোগস্থান (১)

খধিগণের অধস্তন সন্তান-পরম্পরা যখন একান্ত বিষয়াসক্ত, তখন তাহার! গৈডৃক আবান তপস্যার স্থান সুমের পর্বত পরিত্যাগপূর্বক ভারতের উর্ধর-ক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েন।

নিষ্পৃহতাদির হেতুভৃত সত্বগুণপ্রভাবে ব্রাঙ্গণগণ ভূভাঁর

(১) অত্রাপি ভারতং শ্রেষঠং জদুদ্বীপে মহা মুনে। যতো! হি কর্মতুরেষ। ততোইন্! ভোগভৃময়ঃ ২২॥ . ইতঃ সবর্সশ্চ মোক্ষশ্চ মধাম্চান্তশ্চ গম্যতে। খহত্র হি মর্ত্যানাং কর্শভৃমৌ বিধীয়তে | ৫। বর্ণব্যবস্থিতিথিহৈব কুমারিকাখ্ শেষেছু চান্তাজজন| নিবসন্তি। বিষ্কপুরাণ। ২য় অংশ।১ অ। ইহৈৰ কর্দমণো ভোগঃ পরত্র গুভাগুভম.। কর্ধো পার্জনযোগাঞ্চ পুণাক্ষেতর ভায়তম, | : রঙ্ষবৈধর্ত। ১২ অ। ২” ঝো। গণেশখণ্ডে

[8০ ]

গ্রহণ করেন মাই; তীহা'র! ক্ষমাগুণের আঁধাঁরন্বরূপ পরমতন্ব- রাজ্যের অধীশ্বর হইয়াছিলেন। ক্ষল্রিয়জাতি সাত্বিক ক্ষমা- বিরহে অহঙ্কারের হেতৃভূত শারীরিক বীর্ধ্য প্রভাবে অর্থাৎ বাহুবলে সর্ধত্র রাজ্য বিস্তার করেন। তাহাদিগের মধ্যে বাহার অপরাধ হেতু দণ্ডভোগ জন্য ভারতবর্ষ হইতে বহিচ্ভত হইলেন, তাহার! সংক্রিয়ার অনুষ্ঠাননিবন্ধন প্রথমতঃ জাতি- রষ্ট হয়েন নাই। পরে সগররাজের প্রতি কুব্যবহার অবা- ধ্যত। প্রকাশ করায় বশিষ্ঠকর্তৃক ধর্মষ্ট হয়েন।

ধর্মত্রংশতা নিবন্ধন ব্রাঙ্গণগণের অদর্শন হইতে লাগিল; ব্রাহ্মণের সহায়তা ব্যতীত বৈদিক ক্রিয়ার অনুষ্ঠান সংস্কার হয় না। সুতরাং দ্বিজধর্ষ্ের লোপ হইল ধর্ম্মলোপ হেতু জাঁতি- ভ্রংশতা ঘটে। জাতিভরষ্ট ধর্নরষ্ট মানবগণ জীবন্ম.তসদৃশ।

সগররাজ মে সকল ক্ষত্রিয়কে ধর্মন্রষ্ট করিয়া নির্বাসন করেন, তীহাঁদিগের মধ্যে পৌগু* ওডু, দ্রাবিড়, কাশ্োজ, যবন শক, পারদ, পহ্নব, চীন, কিরাত, দরদ খস জাঁতি বিশেষ প্রনিদ্ধ। কোল, ভীল, পুলিন্দ, শবর, হন, কেরলাদি অন্তাজ শৃদ্রগণও শ্লেচ্ছনংজায় অভিহিত। (মহাভারত রামায়ণ দেখ ।) (২)

(২) শনবৈস্ত ক্রিয়ালোপাদিমা; ক্ষত্রিয়জাতয়ঃ। বৃষলত্বং গত! লৌকে ব্রাঙ্গণাদর্শনেন বৈ ৪১ পৌওু,কাশ্টৌডর্বাবিড়াঃ কাঁথোঁজা যবনাঃ শকাঃ। গারদাঃ পঙ্নবাশ্টীনাঃ কিনাতা দরদাঃ খা: ৪8 মনু। ১* অ। মুখবাহ্‌রপজ্জানাং যা লোকে জাতয়ে! বহিঃ। ম্নেচ্ছবাচণ্টার্যাবাচঃ সর্ব তে দসাবঃ স্থৃতাঃ 9৫1 মন্গু। ১৫1

%/০

বিদেশীয়গণ পরমুখে রসাস্বাদ করিয়া! অনুমান কল্পনার উপর নির্ভরপুর্ধক ব্রাঙ্গণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্ত এই জাতিত্রয়কে ভারতের আদিম নিবাদী কহিতে নিশ্চয়ই সম্ধৃচিত হন। কিন ভারতবাসীরা অসঙ্কুচিতচিত্তে এবং একমত্য অবলম্বন-পুরঃসর কহিবেন যে, দ্বিজাতিত্রয় শুদ্রজাতি সমবেতভাবেই সথমের হইতে অবতরণপূর্বক ভারতে চিরকাল বাস করিতেছেন ।)

মনুর সন্তান মানব ভরত রাজ মন্ুর অবতারবিশেষ ভরতের বাঁজ্য ভারতবর্ষ স্ৃতরণং ইহ! আধ্য অনার্ধ্য এই উভয়ের পৈতৃক বস্তু ভারতবর্ষ আর্ধ্য.ও শৃদ্রগণের সমানাধি- করণে নিজন্ব। আর্যেরা পরশ্বাপহারী দস্থ্য নহেন। (৩)

(৩

পি

বশিষ্ঠস্তাং স্তথেতুক্ত।1 সময়েন মহান্নন। নগরং বারয়ামাল তেষ|ং দত্তাভয়ন্তদ!

সগরন্ত প্রতিষ্তান্ত গুরোর্বাক্যং নিশম্যচ 1 ধর্দং জঘান তেষ!ং বৈ বেশাগ্যত্বঞ্ককার হ। যবনানাং শিরঃ সর্ধ্বং কাম্বোজানাং তথৈব চ। পারদা মুক্তকেশাশ্চ পবা শু ক্কধারিণঃ নিঃস্বাধ্যায়বষট্কারাঃ কৃতায্তুন মহাত্মন!। শকা যব্নকাদ্বেজাঃ পহবাঃ পারণৈঃ সহ |

ল! মৌধ্ধ্যা মাহিষকা দর্তাশ্ৈব খলাপ্থ|।

সর্বে তে ক্ষতরিয়গণ! ধর্মান্েধাং নিরাকৃতাঃ1 বর্ধাগুপুরাণ। তরণাত্ত, গ্রজানাং বৈ মনুর্ভরত উচ্যতে। | নিরুক্তবচনাচ্মৈর বর্ষং তৎ ভারতং স্মৃতম, ॥. বামনপুয়াণ। প্রিয়ং মা কৃণু দেবেধু প্রিয়ং রাহ মাকৃপু। বি রা ধর ট্ত শু উত আর্ধে ১. র্বেদদংহিত]| ১৯ অধ্যায় হা রি

পৃষ্ঠ

৪৪

৮৫৩

১২

২২৪ ১৯০ ২৪৩ ২৫০ ৫২ ৬২

শুদ্ধিপত্র।

পড্ক্ি অশুদ্ধ শুদ্ধ

জ্ঞানের বিষয়কে জ্ঞানকে

গান্ধব্ৰ গান্ধর্কব ২৩ রা ভিন্ন উপনয়ন (গ্রহণ করা আব. সংস্কার তত্তিনন রহ্ষচর্যয ১৮১৯ উপাগাহি উপাগোহি ১৭ করে করেন ১৬ শ্রোত আরো , ১৬ বোঝায় বুঝায় নিশ্রেয়স নিঃশ্রেয়স

সত্ৃগুণাযুক্ক সত্তগুণযুক্তর পরিচারক পরিচায়ক ২৯৫ হৃতপথে ঈখপদ্ধে

অজি জাঠিন অবস্থা অনুক্রমণিক |

কেহ কেহ অনুমান করেন, ভারতীয় আধধ্যগণ ভারতের আদিম নিবাঁদী নহেন। ইহারা এসিয়ার মধ্যতৃভাগের লোক। তথা হইতে আসির। ভারত অধিকার করেন। ব্রান্ষণ, ক্ষত্রিয় বৈশ্য এই তিন জাতি আধ্যকুলসন্ভৃত। শুদ্রগণই ভারতের প্রকৃত আদিম অধিবাসী ইহারা আধ্যসন্তানের নিকট পরা- ভূত হইকাশূদ্র বা দাস উপাধি ধারণ করেন। যাহারা! বশ্যতা স্বীকার করে নাই, তাহার দস্থ্ারূপে বর্মিত হইয়াছে অবাধ্য কোল, ভিল, পুলিন্দ, শবর, শক, যবন, খশ, দ্রাবিড়, য্েচ্ছ প্রভৃতি অসভ্য জাতি দক্থ্যপদবাচ্য। আর্ধাগণের . পরাক্রম-. প্রভাবে এই দলের কতকগুলি রণ, কতকগুলি গিরিগহবরে কতকগুলি ভারতের সীর্মাুমিতে ভ্রমণ করিতে থাকিল। সেইহেতু তাহাদিগের মন্প্রীয়-বিশেষের নাম কিরাত হইল।

আধ্যগণ ভারতে আদিয়াই কৃষি, বাণিজ্য শিল্প, ধর্দনীতি, রাজনীতি কাব্যকলা প্রত্থুতির বিকাশ করিলেন। তাহা- দিগের যাবতীয় কাথ্য ধরতে নিবন্ধ সমস্ত সি ধর মহিত সঃ থাকার. কুল ব্যক্তিবে |

ভারতীয় আর্্জাতির আদিম অবস্থা

করিতে হইত।. ভারতের আধ্যগণ যৎকাঁলে পরম জ্ঞানী, তৎকালে পৃথিবীস্থ অধিকাংশ মনুষ্য বর্বর বলিয়া খ্যাত ছিল, আধুনিক ভারতীয় আর্ধ্যসস্তানি বর্বর বলিয়া খ্যাত না হউন, কিন্তু হীনবল, হ্বীনসাহপ, হ্বীনপ্রভ বলিয়। অন্যের নিকট তাড়িত তিরস্কৃত হইতেছেন। শ্ববৃত্বিকার্্যে পটুতা লাভ : করিয়৷ পুর্বপুরুষদিগের আচার, ব্যবহার, বুদ্ধিমত্তা কল্পনা শক্তির মহিম| বিস্থৃত হইয়। গিয়াছেন। বিদেশীয় ব্যক্তির লিখিত বিষয় কথিত উপদেশ পরম পদার্থ জ্ঞান করেন।

আমরা প্রস্তাব বাহুল্য করিতে প্রয়াস পাইৰ না) ত্র ক্রমে ভারতীয় আর্ধজাতির আচার, ব্যবহার, শিল্প, বিজ্ঞান, ধর্মনীতি রাজনীতি প্রভৃতির বিষয় বর্ণন করিব। তাহা দেখিলে অবশ্ঠই আর্্জাতি কি ছিলেন, এক্সথে পূর্বতন আর্যগণের অধন্তন সন্তানপরম্পরার কি হূর্দশা হইয়াছে, ইহ! অনেকাংশে বোধগম্য হইবার সম্ভাবনা

একজন বিদেশীয় সভ্য লিখিয়াছেন, সষ্রি-প্রক্রিয়! দেখিয়! নিশ্চয় বোধ হইতেছে যে, অত্তি ক্ষুদ্র জীবপরম্পরার ক্মোন্র- তিতে একজাতীয় বানরের লেজ খসিয়া পড়ায় মানুষের উৎ- পন্ভি হইয়াছে। মন্ত্রষোর পরবর্তী অবস্থা ঈঙ্বরত্ব গ্রাপ্তি। অর্ধ শিক্ষিত অশিক্ষিত যুবকের নিকট ইহা পরম পবিত্র হিত- জনক বিজ্ঞানমূলক উপদেশ বলিয়া বোধ হইল। . পাঠক, দেখ, কতদিন পূর্বে ভারতীয় আর্ধ্গণ কি ভাবে কি বিষয় কেমন বর্ণন করিয়াছেন। তাহার মর্দন ভেদ কর, বুধ কল্পন! বোধ হইবে না

০০০০০ পু

হৃহি-পরত্রিয়া।

প্রকৃতি সংযোগে ঈশ্বরের তিন গুণ হইতে ব্গা, বিষ মহেশ্বর, এই তিন দেবের উৎপত্তি হয়। ইহারা যথাক্রমে রঃ) সত্ব তমৌগুণান্বিতি। এই ত্রিবিধ মৃত্তিতে জগতের সৃষ্টি, স্থিতি প্রলয় হয়। শুঁতরাং এই ভ্রিবিধ গুণের মধ্যে রজোগুণের র্যা সি, সত্বগুণের কার্ষ্য পালন) তমোগুণের কার্য্য নাশ। পরমেশ্বর তরিগুণাত্বক। অহ্গা। বিষুট মহ্ষের, এই রগ জগণীশ্বরের অবস্থান্তর মাত্র। পরমেশ্বর সর্ধভূতেই অবস্থিত অর্থাৎ ক্ষিতি, অপ্‌, তেজঃ, মরুৎ। ব্যোষ, চনত, কুর্ধ্য প্রভৃতি স্বাবরজঙ্গমাদি প্রকৃতিতে প্রাণিগণের জীবনে অবস্থান করেম।

কেহ কেহ আপত্তি করিতে পারেন যে, ঈশ্বর হস্তগদাদি- বিহীন নিরাকার নিগুণ, তিনি কিরূগে সাফার হইলেন জগনিন্মী করিলেন; ইহা কি সন্তব ছইভে পারে? এইজন্য আর্ষগণ ঈশ্বরের একেই তিন, তিনেই এক, এবং সর্বশক্তিমত্ত! চৈতন্ত স্বীকার করেন, প্রন্কৃতিকে জড়ম্বয্নপ জ্ঞান করিয়া থাকেন। প্রকৃতি পুরুষে অর্থাৎ ঈশ্বরের শক্তি জড়ে সংযুক্ত হইলে জগতের সৃষ্টি হয়। প্রকৃতির পুষ্টি হইলেই জগৎ বর্ধিত হয়) তখন উহাতে মীয়ার আবির্ভাব হয়। জড়ের চৈতন্ঠের নাম মায়।। মায়-গুণের ধংস হইলেই সৃটস্তর শক্তি যায়| টিপি প্রন্ৃত মহামায়া-ংযুক্ত | যেখানে তমোগুণের সমাবেশ হইয়াছে, সেইখানে লয়।

মন, রঃ তমোগুণের যাবা প্রকৃতি কোন হা

৪. ভারতীয় মার্যযজাতির আদিম অবস্থা

করেন না। এই অবস্থায় ঈশ্বরকে নিগুণ নিরাকার বলে। প্রকৃতি মায়াবিশিষ্ট সত্বগুণৌদ্রিক্ত হইয়া মহন্তত্বকে প্রসব করেন। উহ! হইতে অহঙ্কারের উৎপত্তি হয়। অহঙ্কারে সত্বগুণের উদ্রেক হইলে জ্ঞানেন্দ্রিয়, কর্শেন্দ্িয় মনের জন্ম হয়। বজো- গুণোদ্রিত্ত অহঙ্কার হইতে পঞ্চতন্মাত্র জন্মে পঞ্চতন্মাত্র হইতে পঞ্চ মহাঁতৃতের জন্ম হয়। পঞ্চ মহাভূত শব্ধতন্াত্র হইতে আকাশের উৎপত্তি হয়। আকাশের গুণ শব শব্বতন্মাত্র ম্পর্শতন্মাত্র হইতে বাযুর উদ্ভব হয়। বায়ুর শব ওস্পর্শ আছে। শব্তন্মাত্র, স্পর্শতন্মাত্র রূপতন্মাত্র হইতে তেজের উৎপত্তি হয়। তেজের শব, স্পর্শ রূপ, এই তিন গুণ আছে। শবতন্যাত্র, স্পর্শতন্মাত্র, রূপতন্মাত্র রসতন্মাত্র হইতে জলের উৎপত্তি হয়। জলের গুণ, শব, স্পর্শ রূপ রস। এই চারি তন্মাত্র গন্ধতন্মাত্র হইতে পৃথিবীর কৃষ্টি হয়। পৃ্থীর রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ শব, এই পঞ্চবিধ গুণ আছে।

পুরুষ প্রকৃতির রজোগুণান্বিত পঞ্চতন্নাত্রের অবস্থা" বিশেষকে বিধাতা শব্ষে উল্লেখ করা হইয়াছে। বিধাতার মানস পুত্র প্রথম সাত. পরবর্তী তিন। যথা মরীচি, অভ্র, অঙ্গিরা, পুলস্ত্য, পুলহ, ক্র, .বশিষ্ট, ভূত, নারদ দক্ষ। মরীচির পুত্র কশ্তপ। কশ্তপ হইতে সমুদয় প্রজা! স্থষ্ট হয় এক্ষণে দেখ, কশ্তপ বলিতে কাহাকে বুঝায়? যিনি দেব, দানব, দৈতা, কাদ্রবেক়্ বৈনতেয় প্রভৃতির পিতা। কণ্ঠপের পরীর নাম কাশ্যপী. কাশ্যপী শব্দে পৃথ্থিবীকে বুঝায়। কশ্যপ আকাশরূপী মহাভূতসমন্থিত সত্বগুণবিশিষ্ট পুরুষ অর্থাৎ ভীবাত্মা; পৃথিবী পঞ্চমহাভূতসমন্থিত রজোখুণমম্পন্ধ

দশ অবতার ডারুইন সাছেবের মত।

প্রকৃতি, (অর্থাৎ জড়পদার্থ), সুতরাং কশ্যপপত্বী অদিতি, দিতি, কদর, বিনতা। দ্ধ প্রভৃতি পৃথিবীপদবাচ্য অতএব (আকাশ) বর্গ পৃথী সংঅবে* সর্ববিধ প্রাণীর জন্মবিষয়ে আর অসম্তা- বনাকি?

মংস্য কুম্মাদি দশাবতারে ঈশ্বরের আবির্ভাব হইয়াছিল, তাহাতেই বা কি বিপর্যয় উপস্থিত হইতেছে, উহার বূপকাংশ পৃথক কর, অবিশ্বাস হইবে না।

(সিএস

দশ অবতার ডারুইন সাহেবের মত।

“্যস্যালীয়ত শন্কসীয়ি জলধি! ষ্ঠ জগন্মগুলং,

দংস্টায়াং ধরণী, নথে দিতিস্তাধীশঃ, পদে রোদগী।

ক্রোধে ক্ষত্রগণঃ, শরে দশমুখঃ পাণৌ প্রলম্বান্থরো,

ধ্যানে বিশ্বমসাবধার্থিককুলং কন্মৈচিদন্মৈ নমঃ ॥৮

পাঠক ! তুমি অবপ্ঠ শুনিয়াছ যে ডারুইন সাহেবের মতে মন্নষোর! বানরের অবতারবিশেষ। সে কথায় তোমার যদি বিশ্বাম হয়, তবে মন্থর পরে অবশ্ঠ তদপেক্ষা অধিকতর- শক্তিম্পন্ন অন্ত কোন জীব জন্মিবে, স্বীকার করিতে হয়। কিন্ত ভারতবর্ধীয় আধ্যজাতিরা সেরূপে এক বস্ত্র অবয়ব দ্বারা অন্য কোন উতর যোনির সৃষ্টি কল্পনা করেন না ইাদিগের কল্পনা অন্ঠ- প্রকার, তাহার আধার পরমেশ্বরের

ই্দং। দ্যাবা পৃথিবী মত্যমন্ত পিতর্মাতর্যদিহোপক্রবেবাম্‌। ধথেদনংহ্িতা, ১ম মওল ১৮৫ শুক্তঃ ১১ খকু।

হে পিতঃ দে, হে মাতঃ পৃথিবি। এই যল্পে আমরা! যে স্তব করিতেছি,

তাহ। সত্য অর্থাৎ সফল হউক।

ভারতীয় আর্ধ্জাতির আদিম অবস্থা

ইচ্ছা ইহীদিগের মতে পরমেশ্বরের ইচ্ছাতেই জগতের উৎ- পত্তি, স্থিতি ধ্বংস হয়। বানরের লাঙ্গল খসিয়া পড়িলে মানুষের স্থষ্টি হয় না তাহা যদি হয়, তবে উল্লুকের লাঙ্গুল নাই, সুতরাং তাহাকেও মন্ধুষ্যের অগ্রজ বলা উচিত এসন্বন্ধে আমরা ডারুইনের সঙ্গে এ্কমত্য অবলগ্বন করি বাঁ না করি, কিন্তু এই কথ! একান্তই বল! কর্তব্য যে ডারুইন সাহেবের মত আশ্ধ্যজনক নহে

ভারতবর্ষীয় আর্ধ্য-জাতির পুরাণরচয়িতৃগণ তান্ত্রিক মহোদয়বর্সের অভিপ্রায়গুলি দেখিলে উক্ত মহোদয়ের মত ইহা দিগের মতের ছায়াস্বরূপ বোধ হইবে

পৌরাণিকর্দিগের মতে ভগবান্‌ প্রথমে মহন্ত অবতার হন; তাহার দ্বিতীয় অবতার কৃর্ম; তৃতীয় অবতারে বরাহ; চতুর্থ অবতারে তিনি নৃসিংহরূপে অবনীতে আবিভূতি হন। এইটী তাহার অর্দপশ্ু অর্দমনুষ্যাকৃতি ইহারই সংস্করণে এক- কালে তিনি বামন অবতার হন। ইহাকেই ত্রিবিক্রম মূর্তি কহ যায়। এইটাত্তে তিন খানি পা৷ দেখাইলেন। ষষ্ঠে পরশ্ু- রামের জন্ম এই রূপটাই একেবারে মন্তৃষ্যের প্রকৃত রূপ

প্রিয়দর্শন পাঠক! তুমি মনে করিয়াছ পৌরাণিকদিগের রচন। রূপক করনাতে পরিপূর্ণ, সুতরাং প্রকৃত বিষয়ের মূল পাওয়া বড় ভার। বিবেচন! করিয়া দেখিলে, ইহা তাদৃশ . নির্দুল বলিয়া কদাঁচ বোধ হইবে না।

ইহাদিগের মতে মত্ন্ত-সবতার বেদের উদ্ধার-কর্তা। জগৎ্কারণ পরমেশ্বর বেদের উদ্ধীর জন্ত কেনই বা মতন্ত-রূপ ধারণ করিতে গেলেন? স্থকীয় চিন্ময় রূপে কি বেদের উদ্ধার

দশ অবতাঁর ডাঁরুইন সাঁছেবের মত।

হইতে পাঁরিত না? অবশ্ত হইতে পারিত। তবে কেন মীন: ্প ধারণ করিলেন, তাহার নির্ণয় করিবার চেষ্টা করা উচিত। পৌরাণিকেরা কহেন, “জগন্মগুল' প্রলয়-পয়োধি-জলে নিলীন হইলে, ভগবান মীন-রূপ ধারণ করিয়া অপৌরুষেয় বেদের রক্ষা করেন।” এখন দেখ_বিদ ধাতুর অর্থ জ্ঞান, জ্ঞানের বিষয়কে বেদ বলা যাঁয়। সৃষ্টির প্রথমে জলের আবি- ভাব, অতএব জলীয় জগতে যে প্রাণী আরাম বিরাম করিয়া জীবিত থাকিতে পারে, জগদীশ্বর তাহারই স্থষ্টি করিলেন জীবমাত্রেরই চৈতন্য আছে, খী চৈতগ্ঘকেই সুখছুঃখাদি-বোধ- বিষয়ক জ্ঞান কহী যাঁয়। দেই বোধকেই বেদ-শবে নির্দেশ করা যাইতে পারে। প্রলর-কালীন জলে তাবৎ জীব নষ্ট হইয়া গেল। এখন জলীয় জগতের মধ্যে কোন্‌ প্রাণীর প্রতি জ্ঞান রাখা যাইতে পারে ? দেখা গেল, মত্গ্তগণই জলীয় জগতের উপযুক্ত জন্ত। তাহাদিগকেই জগতে বুদ্ধিমান্‌ প্রাণী ধরা | যায়। জলের পরে মৃত্তিকাঁর উৎপত্তি। এখন পার্থিব জীবের স্থষ্টি ওয়াই সম্ভব, তদন্থসারে জল স্থলচরের কির্ঘাণ হইল এবার কৃর্ম আসিলেন। পৌরাণিকমতে ভগবান্‌ কুন্মাবতারে মেদিনীমগ্ডলকে প্রলয়-পয়োধি-জল হইতে উদ্ধার করিয়া! নিজ- ৃষ্টভাগে ধারণ করিয়া আঁছেন। এবারে জলীম্ব পরমাণু পার্থিব পরমাণুর সহিত মিশ্রিত হইয়া ঘনীভূত হইল কাজে কাজেই এবারকার অবতারকে বলিষ্ঠ কঠিন করা প্রয়োজন জানে পার্থিব-পদার্থের দ্বারা তাহার অবয়বের অধিকাংশ নির্মিত হইল। পৃষ্ট'ভাগ এমন দৃঢ় যে, উহার উপরি অত্যন্ত গুরু বস্তু রক্ষা ক্রিলেও ভাঙ্গে না। কৃর্মাকে ভারসহ জ্ঞানে

1

ভারতীয় আর্ধ্যজাতির আদিম অবস্থা

ভগবানের দ্বিতীয় অবতার কল্পনা করা হইল। এই কালে যে: সকল জীবের সৃষ্টি হয়, তাহারা এতদপেক্ষা বলিষ্ঠ হয় নাই। : ভগবান্‌ খন বরাহ-ূর্তি ধারণ করিলেন, সে সময়ে পার্থিব: জগতের দ্বিতীয় অবস্থা। অবস্থায় পৃথিবীর উৎপাদ্দিকা শক্তি অত্যন্ত অধিক বিশেষতঃ জল-প্লাবন দ্বারা পৃথিবীর | উপরিভাগে বন জঙ্গলের উৎপত্তি শীঘ্র শীত্ব হইতে লাগিল। এমন অবস্থায় কাহার উৎপত্তি সম্তভব্পর ? পৌরাঁণিকের| দেখি- লেন, বনে বরাহাঁদি জীবের স্থষ্টি ভিন্ন অন্য প্রাণীর স্থা্টি হইতে পারে না। জ্ুতরাং তৃতীয় অবতারে বরাহ-রূপই সঙ্গত। তখন পৃথিবীর উপরিভাগ পুর্াপেক্ষা আরও কঠিন হইয়াছে। কাজেই দন্তজীবীর স্থ্টি না করিলে বৃক্ষলতাদির ছেদন ভেদন সম্ভব নয়, সুতরাং বরাহ-ূর্তি দ্বারা মেদিনীমগ্ডলের উদ্ধীর সাধন হয়। সে সাধন আর কিছুই নহে, পৃথিবীর অবস্থায় বরাহ প্রভৃতি দন্তজীবী নানাপ্রকার শৃঙ্গীর স্থ্টি হয়। পুরাণের মতে এই বরাহের এক একটা কেশর গিরি-শিখর-তুল্য | পদার্থ- বিৎ প্ডতাদগের মতে কেশর শৃঙ্গ এক পদার্থ, তদন্ুসারে বল! যাইতে পারে যে, এই স্থষ্ি দ্বার দ্তজীবী শৃক্গীর স্যষট দেখান হয়। কৃর্সের স্থষ্টি দ্বারা নথীর স্থষ্টি দিদ্ধ হইয়াছে পৃথিবী চতুর্থ অবস্থায় মন্ুষ্যের আবাস-যোগ্য হইল বটে, কিন্ত তখনও আম মাংস যদৃচ্ছালব ফল মূল ভোজন ব্যতীত পৃথিবীতে মন্্যাদির জীবন-ধারণ সাধ্য নয় জ্ঞানে অন্দপন্ত ও. অর্মনুষ্য ভাবাপন্ন জীবগণের স্থ্টি হইল। তাহার উদীহরণ- স্বরূপ নরসিংহ-মূর্তির আবির্ভাব দেখা যাঁয়। এই অবস্থায় দৈত) দানবাদির প্রাণসংহারের সংবাদ পাওয়া গেল। তদবধি

দশ অবতাঁর ডাঁরুইন সাহেবের মত।

(লাকে ইতিবৃত্বকথনের শৃত্রপাত হইল। এই অবতারে ্লাণি-দংহারাদি পঞ্ুবৃত্তি হিংসার গ্রাবল্য দেখা যায়। এই অবস্থায় মন্ুষ্যুগণ দৈত্য-দানব-তয়ে কম্পিত-কলেবর ছিলেন। দৈত্যেরাই প্রায় হর্তা কর্তা বিধাতা ছিল।

পঞ্চম অবস্থায় এই ধরাধাম মনুষ্যাদি জীবগণের পক্ষে অপেক্ষারৃত সুখাবাসের স্থান হইল। এই মময়ে মন্নষে রা আম্মদল-বল-সহকারে হিংস্র জীব জন্তর প্রাণ-সংহার করিতে লাগিলেন হিং জীবগণও মন্ুষোর দৌরাস্ম্য সহা করিতে না পারিয় নিবিড় কাননে আশ্রয় লইল, তদবধি হিং জন্থগণের মনে ভয়ের সঞ্চার হইল। ইহার পর যে অবতার কল্গিত হইয়াছে, তাহার রূপ ত্রিবিক্রম মূর্তি। এই সময়ে সংসারের 'অনেকথানি শ্রীবৃদ্ধি হইল, অর্থাৎ মন্ুষ্য-শক্তির পরিচয় পাওয়া গেল। মন্থষ্যের বুদ্ধিবলে আত্মঙ্ঞান-প্রভাবে ইচ্ছা, করিলে ্বর্মমর্ভয পাতাল সর্বত্রই যাইতে পারেন তাহাই প্রদর্শম জন্য ভগবান্‌ ক্ষুদ্র-কলেবর বামন-অবতার সেই অবস্থাতেই ত্রিবি- ক্রম-্র্ূপ মহাবিরাট্আকার ধারণ করিয়। বলির প্রতিশ্রুত

অবশ্যদেয় ত্রিপাদপরিমিত স্থানের গ্রহণ জন্য স্বর্গে মর্ত্যে পাদ-বিক্ষেপ করিলেন। আকাশের নাম বিঞুপদ, হুতরাং বলিরাজার তাহাতে কোন অধিকার নাই। এই হেতু তিনি উহা দিতে অসমর্থ হইলেন। ত্রিপাদ ভূমির মধ্যে পাতাল মর্তয এই দুইটার দান সিদ্ধ হইল। আকাশ বিজুর পাদ বিশেষ,

অতএব বলির প্রতিজ্ঞা তঙ্গ হইল। : এক্ষণে মন্থষ্যেরা পরমে- খবরের অস্তিত্ব" বুঝিতে পারিলেন। ভীহাদিগের অস্তঃকরণে : শ্বরের সবার উপলদ্ধি হইল। : আঁকাশস্থ সমস্ত উজ্জল

১৪ ভারতীয় আর্যযজাতির আদিম অধস্থ!।

পদার্ঘকে পরমেশ্বরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অথবা স্বরূপ জ্ঞানে উপাসনায় দত হইলেন।

এখানেই ডারুইন সাহেবের লাঙ্ুলতরষ্ট মনথযাঁ-জীবের সৃষ্টির আরম্ভ হয়।

যদি মনুষ্যকে ত্রিপাঁদবিশিষ্ট ধরা যায়) আর তাহাকে গর যুগে না দেখা যায় তবে অবশ্য বলী যাইতে পারে যে) উারুইন সাহেব মহোদয় হিনু'দিগের পুরাণের ছায়। লইয়াছেন।

এক্ষণে দেখা যাইতেছে ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম। ইহার অন্ত্র কুঠার। মন্ুযাসকল যখন নিতীস্ত অসভ্য নয়)ও প্রয়োজনীয় বস্ধ নির্মাণ করিতে শিখিয়াছে, তখনি তাহার জন্মের কল্পন!। ইনি সর্বাবয়ব-সম্পন্ন মনুষ্য-দেহে আঁবিভূতি হইলেন। তদবধি একেবারে-ঈশ্বরে মন্থুষ্য-ধর্্ম অর্পণ করাইয়। এখানে পৌরা- ণিকত।ার যৌবন-কাল ধর! যাইতে পারে। পৌরাণিকদিগের মতে ঈশ্বর মনুষ্য-দেহে অবস্থীনপূর্বক পাপ পুণ্যের বিচার করিয়া স্যটি) স্থিতি প্রলয় করিতে পারেন |

এক্ষণে আর একটী কথা বলা উচিত থে, মছামছোপাধ্যায় ডারইন সাহেব মহোদয় যে মত এক্ষণে প্রচার করিয়াছেন, পৌরাণিকদিগের মত লকল শুষ্মানুহক্রূপে পর্য্যালোচন। রিলে তাহাকে ভারতবর্ধীয় আর্য্যজাতির মতের অনুকারী তিন আর কি বলা যাইতে পারে ?-তবে তিনি যে' সমরের লৌক) তীছার ধতদূর জানালৌক গাইবার সম্ভাবনা, আর্ধ্য- জাতির পক্ষে তাহার পরমাণু-পরিমীণ মাত্রও পাইবার সম্ভীবন। ছিল না। তথাপি ইহ্ার৷ বুদ্ধিবলে সংসারের খাঁদৃশী শ্রীবৃদ্ধি করিয়াছেন, তাদৃশী শ্রীবৃদ্ধি ফোন জাতি তখন করিতে পারে

দশ অবতার ডাফুইন মাছেবের মত ১৯

মাই জ্ঞান-কাণ্ডে ইহাদিগের অদ্ভূত শক্তি। ধন্য আর্ধ্গণ ! (তোমাদিগের শ্রীচরণে কোটি কোটি প্রণাম তোমরা মাকর্তেয- পুরাণে যাহা কহিয়ান্, তাহার মশ্গ্রহ কে করে? | দেখ, জগৎ যে কালে একার্ণবে মগ্ন ছিল, তৎকালে মধু (কৈটত নামে ছুই অন্তর বিষ্ণুর কর্ণমল হইতে জন্ম গ্রহণ করিল। জগৎ ঘে সময় জলে মথু ছিল, তখন কীট পতঙ্কাদিরই স্পট সম্ভাবনা? স্থত্বরাং তহাদিগেরই কল্পনা দেখা যাইতেছে

মধু কৈটভ _এক্ষণে ব্যুৎপত্তি অনুসারে বিচার করিতে গেলে ইহা৷ প্রতীত্বি হইবে যে, কীটভ (কীটবৎ ভাতি যঃ সং কীটভঃ) শবধের উত্তর স্বার্মে প্রত্যয় করিলে কৈটত্‌ পদ হয়) মধু একপ্রকার কীট-বিশেষ (অর্থাৎ যাহার! মধুগান করে)। তাহার প্রমাণ জ্বন্য কালিকা-পুরাণের বচন উদ্ধৃত্ত কর! গেল

গতিধকর্ণ মল-চুর্ণেত্যো মধুনামান্থরোহতরখ। উৎপন্ন; সচ পানার্থং যন্মাৎ মৃগিতবাম্মধু। অতস্তস্য মহাদেবী মধুনামাকরোত্তদদা

মধুশবে জল, যথা “মধু ক্ষরস্থি সিশ্ববঃ” ইত্তি মধুসক্রমূ।

ভগবান্‌ বিষ পঞ্চনহুত্র বর্ষ পর্য্যন্ত এই ছুই অন্থুরের সঙ্গে ঘুদ্ধ করিয়াছিলেন। তংপরে তাহাদিগকে বিনাশ করেন। বিনাশ-কালে তাহার! বিষ্ণুর নিকট এই প্রার্থনা করে যে, আমর! য়েন পৃথিবীর উপরি ভোমার হস্তে নিধন প্রাপ্ত হই” | এন্ণে বিঢার-মার্গে ইহাই যুক্কি-যুক্ত বোধ তব য়ে, কালে পৃথিবীর উপরিভাগে জল ছিল, ভংকালে কেবল কীটগতকাির স্ব হয়। যখন অবনীসখল পাঁচ কার, বৎয়র জাতির

১২ ভারতীয় আর্ধ্জাতির আদিম অবস্থা | :

করিল, তখন জল কমিয়া গেল-মৃত্তিকা ঘনীভূত হইল। সময়ে কীট পতঙ্গ প্রায় বিনষ্ট হইয়। আদসিল। এইজন্যই বোধ হয় মধুটকটভগ্থয় মৃত্তিকার উপরিভাগে আপনাদের মৃত্যু-কাঁমনা করে। দেখ দেখি পৌরাণিকেরা কেমন নিগুঢ়ভাবে-কেমন রূপকে- দার্শনিক মত সংস্থাপন করিয়াছেন। ডারুইন মহোদয়ও কহিবেন, জলীয় জগতের প্রথম স্থট্টিকালে কেবল কীট পতগ্গেরই উৎপত্তি হইয়াছিল। ডাঁকইনের মতে আর্ধ্য- দিগের মতের ছায়া স্পষ্ট উপলব্ধি হয়। আমাদিগের কোন কুতকী পাঁঠক কহিতে পাঁরেন, তাহারা

ব্রন্নাকে পর্ধান্ত ন্ট করিতে উদ্যত হইয়াছিল এবং বাহযুদ্ধও

করিয়াছিল। ব্রহ্গা তেজোময় পদার্থ। জলকে বিষ্ণুশকে নিদ্দেশ করাযায়। দংশমশকাদি ক্ষুদ্র প্রাণিগণ কীট শবে

নির্দিষ্ট হইয়াছে। স্তরাং জলরূপী নারায়ণকে অর্থাৎ বিষ্ণু

কেও সেইপ্রকার স্বহাস্তে মৃধু--জলীয় কীট কীট-সদৃশ প্রাণী জর্থাং পতনদিগকে-নাশ করিতে বাধ্য হইতে হইয়াছিল।

ক্রমে যখন ক্ষে ণীদেবী হৃষট, পুষ্ট বলিষ্ঠ হইয়া! আসিতে

লাগিলেন, তখন তিনি ক্রমে ক্রমে অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর প্রাণী প্রসব করিতে লাগিলেন, সেই সময়ে মহিষানুরের সঙ্গে আদ্যা- শক্তির যুদ্ধ বর্ণিত আছে। দেবাস্ুরের যুদ্ধ একশত বৎসর

ব্যাপিক়্া হয়। তৎপরে মহিষান্থর আদ্যাশক্তিকর্তৃর নিধন প্রাপ্ত

হয়। মহিষান্্ররের নিধন-প্রাপ্তির পূর্বে চিক্ষুর, চামর, বিড়ালাক্ষ মহাহন্থ প্রভৃতি মহিষাস্থুর-সেনা মহাশক্কি হস্তে বিনষ্ট হইয়া” ছিল। তৎপরে মহিষালুর স্বয়ং লয় প্রাপ্ত হয়। মহিষাস্তরের উৎপত্তির পর গজের ্ৃ্টি হয়্। পাঠক! তুমি মার্কণেয় চ্তী

দশ অবতার ডারুইন সাঁছেবের মত। ৯৩

পাঠ কর, অবশ্ত ইহার তাৎপর্য্য বুঝিতে পারিবে। দেখ, কীটপতঙ্গের জন্মের পর কত শত বৎসর অতিক্রান্ত হইলে মহিষের জন্ম হয়। তংপুর্বে উদগ্র, চিক্ষুর, চামর, বিড়ালাক্ষ

প্রভৃতি জাবের জন্ম হয়। স্ৃষিপ্রক্রিয়। দেখিয়া! বোধ হয়,মহিষের পূর্বে সিংহ হস্তির জন্ম হইয়। থাকিবে পুরাণান্তরে যে- প্রকার অর্ধপন্ত অর্মনুষ্য স্বরূপ নৃসিংহের রূপ-কল্পনা, এখানেও সেইপ্রকার অর্ধপন্ত অর্ধমানবাক্কৃতি মহিযাস্থরের আকার দেখা যাইতেছে উভয় পক্ষেই সমানত্বের জাজ্জল্য- মান দৃষ্টান্ত অনায়াসে নিদ্দেশ করা যাইতে পারে। মহাহ্‌নকে হনুমান কহা যাঁয়। সুতরাং ইহা বলিতে কদীচ লজ্জা! হইবে না যে, বানর হইতে মনুষ্য নয়; কিন্তু অন্ধ পশুর অবস্থা হইতে মনুষ্যের অবস্থা

সেইরূপ যদি কোন পাঠক কহেন, সকল সৈম্ত সেনা- পতিগণ চতুরগ্গ বলের আশ্রয়ে যুদ্ধ করিয়াছিল, স্থুতরাং এসকল অগভ্য অবস্থার কথা৷ হইতে পারে না। তাহার মীমাংসায় ইহা অবশ্য বল! যাইতে পারে যে, যেমন বৈদিক-মন্ত্রসকলে--. সয্যকে হরিতবর্ণ সপ্ত মঙ্খে বহন করে, ইন্ত্রকে মেঘ(জল) বহন করে, অগ্নিই পরমেশ্বরের স্বরূপ এবং সমস্ত পিতৃলোক. দেব- লোকের মুখস্বরূপ, পরমেশ্বর দেবগণ ও. পিতৃগণ অগ্নিদ্বারী তোজ্য গ্রহণ করিয়। সংসারের স্থষ্টি, স্থিতি প্রলয় বিধান করিতেছেন আরও দেখা যাইতেছে যে. সুয্য জড়পদার্ঘৎ অথচ কিরণগুলিকেই. তাহার অঙ্বস্থরূপ কল্পন! কর! হইয়াছে মেঘ এবং আগ্নিও জড়পদীর্থ, নতরাং তাহাদের, গুণ ভিন্ন আর কি বলা যায়? বেদ, স্থৃতি। পুর তন্রাদিতে

রঃ

১৪ ভারতীয় মাধ্যজতির আদিম অযস্থা

সমুদয় বস্তরই এঁশী শক্তি বর্ণিত আছে। ইহাদিগের আকার নানাবিধ, পরিবার সন্তানাদিও অনেক উপাসন' দ্বারা যাহার ইহাদিগকে প্রন্ন করিতে পারেন) ষকল বস্ত তীহা- দিগের পক্ষে কল্পতরুশ্বরূপ হুইফা' উঠে। (প্রকৃতিকে বশী- ভূত করিতে পারিলে সমুদয় কার্ধ্য সিদ্ধ করা যাইতে পারে)।

গাঠক ! এখন দেখ, চামর এই শৰের ব্যুৎপত্তি কি। চখর ' আছে. যার এই অর্থে চামর হইতে পারে। এক্ষণে ইহা অনা- যাসে ্রাতীতি হইবে যে, মহিষের সমকাঁলে চমরী প্রন্থৃতি তীক্ি হয়। বিড়ালাক্গ পশুগণের স্ৃষ্টির প্রক্রিরা৷ দেখিলে বোধ হয় যে, সিংহ, ব্যাত্ব, বিড়াল ভৎসদুশ নয়নবিশিষ্ট পশ্ত- বর্ণের উৎপত্তিও মহিষের সমকালে অথবা অব্যবহিত পরবর্তী

কালে হইয়া! থাকিবে। হস্তীর পর অর্ধননুষ্য অর্থাৎ হন্ুমানা-

দির জন্ম হয়।

এক্ষণে প্রিয়দর্শন পাঠক ! তুমি জিজ্ঞাসা করিতে পার, কত কাল পরে কত দিনে কেমন_ভাবে পৃথিবীর উৎপত্তি হয়। তাহা যদি জিজ্ঞাসা কর, সে প্রস্তাব প্রসঙ্গতঃ বলিলে চলিবে মণ) উহা ম্বতন্ব বল। আবগ্তক। এক্ষণে এই মাত্র জানা আবপ্তক ঘে,যে সমস্ত বৎসরের নামোল্পেখ করা গিয়াছে, উহা! দেব- লোকের ব্র্ধীর বর্ষ মন্নুষাদিগের এক বর্ষে দেবতাদিগের এক দিন হয়। দেবতাদিগের কালমধ্যে চারিটা যুগ আছে সমস্ত যুগের গরিমীণ ১২৯০* দ্বাদশ সহ বংসর-স্সত্যের সীম. ৪৮০) ত্রেতার সীমা ৩৬**,দ্বাপর়ের মীমা ২৪০০, কলির সীমা +২০* বার শত বর্ধ। এই যুগ লমষ্টির বার হাঁগার বর্ম ব্রহ্মার এক দিন হয়।

দশ অবতার ডাঁরুইন সাহেবের মত। ১৫

যে অনুমান-প্রমাণ অনুগারে ডারুইন মহোদয়ের মতকে আধ্যজাতির মতের ছারা-স্বরূপ কহ যাইতেছে, তাহার প্রমাণ- সংস্থাপন জন্য কয়েকটীমান্র বচন উদ্দত করাগেল। *

বিষু যে জলে ছিলেন তাহার প্রমাণ :- আগো নারা ইতি প্রোক্তা আপে! বৈ আন তা যদস্যায়নং পূর্ববং তেন নারায়ণ

জীব-মনে জ্ঞানের সত্তা জানমন্তি সমস্তদ্য জন্তোবিষয়গোর্ট।

ঘতকাঁল জন ছিল-- পঞ্বর্ধনহ্াণি বাহ-প্রহরণো বিভূঃ ৯৪8 চত্ীর প্রথম মাহাস্বয। জল-ভাগ শুপ্ধ হইলে কীটপতঙ্গাদি নষ্ট হয়_- শ্রীতৌ স্ব্তব যুদ্ধেন শ্ল।ঘান্তং মৃত্ারা বয়োঃ। 'আবাং জহি যত্রোববী সলিলেন গরিদত1॥ ১০৪। চতীর প্রথম মাহাত্বা। দৈবপরিশিত ১০৭ বর্ষ অর্থাৎ মনুষোের ৩৬৫৭ বর্ষ পর্যন্ত বন জঙ্গল ছিল-- | দেবাহরমতূঢ্যনধং পূর্ণমন্দশতং পুরা মহিষে হরাণামধিপে দেবানাঞ্চ পুরনূরে | ২॥ | চ্তীর হিতীয় মাহাত্মা। চমরী গ্ভৃতি ক্ষুরবিশিষ্ট পশুদিগ্রের জন্মের কথ। এবং যাহাদিশ্বের লোম অসিতুলা সুই পণুষিগের বিষয় মহিষযাহথরদেনানী চিক্ষরাখ্যো মহাহরঃ ৪* ঘুযুধে চামরশ্চামৈশ্তুরঙ্গবলাফিত;॥ ৪১।

১৬ ভারতীয় আর্ধ্যজাঁতির আদিম অবস্থা

মহিষাস্থুরের যুদ্ধের পর মনুষ্যারুতি দানবগণের যুদ্ধ দেখা যায়। পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশ একাঁলে একেবারে শ্রুক্ক। প্রিয্দর্শন পাঁঠক! আমি তোমাকে পৌরাণিকদ্দিগের

এট দ্বিতীয় মাহায্ম্য।,

ত্যাজ হি রূপং মোহপি ৰদ্ধো মহামৃধে | ততঃ সিংহোহভবৎ সদো। যাবৎ তসান্বিকাশিরঃ চণ্ভীর তৃতীয় মাহাত্ম্য। মনুষাকার পশ্ত, গণ্ডারাদি খড়গ স্কুল-চম্মর জন্মধিষয়ক প্রমাণ-- উচ্ছিনতি তাবৎ পুরুষ? থগ্াপাণিরদৃশ্যত ৩০ তত এবাশু পুরুষং দেবী চিচ্ছেদ সায়কৈ?। তং খড়গ-চর্দণ৭ সার্ধং ততঃ সোহভূন্মহাগিজঃ 1 ৩১ চত্তীর তৃতীয় মাহাআ্বয। পুনর্বার মহিষের জন্ম অর্থাৎ মহিষ উভচর, জল স্থল উভয় স্থলে থাকিতে পারে-- ততো! মহাহথরে। ভূয়ো! মাহিষং বপুরাস্থিতঃ | তখৈব ক্ষোভয়ামান ব্রৈপাকাং সচরাঁচরম ৩৩ চত্তীর তৃতীয় মাহাত্মযু। অর্-পশু অর্ধমনুষাবস্থার বিববণ-- | ততঃ সোহপি পদাক্রান্তত্তয়। নিজমুখাতততঃ | অর্থ-নিষ্কাস্ত এবাতি দেবা! বীর্ষোগ দংবৃতুঃ অর্ধ-নিষ্কান্ত এবাসৌ যুধ্যমানো মহাহরঃ। | চ্তীর তৃতীয় সাহাম্বা।

দশ অবতার ডাঁরুইন সাহেবের মত। ১৭

সমুদ্র-মন্থন-বিষয় দ্বারা বিষয়ের আরও কিছু বলিতে ইচ্ছা করি। মনোষোগপূর্বক তাৎপর্য্য গ্রহণ কর। ।_ দেখ, সমুদ্রমস্থন-কালে ভগবান্‌ নারায়ণ কৃর্-পৃষ্টে দণ্ডায়মান হইয়া মন্দর পর্বতকে মন্থন-দগড বাস্থকিকে রঙ্জু স্বরূপ করিয়া ক্ষীর-সমুদ্র আলোড়ন করিতে লাগিল্নে। সমুদ্রমন্থন কালে রত্বাকর হইতে যে মকল মহারতব উর্্ুত হইল, তন্মধ্যে বক্ষ্যমাঁণ নিধিগুলিই অগ্রাগণ্য। অগ্রে সেইগুলির নামমাত্র করিয়া, পরে তাহাদিগের বিষয় তাৎপর্য লেখা গেল।

প্রথমে চন্ত্র, দ্বিতীয়ে লক্ষী সুরাঁদেবী (বারুণী) ইহাদিগের তৃতীয়া কৌস্তভ মণি চতুর্থ পঞ্চমে কল্পতরু পারিজাতের উত্থান। যষ্ঠে অশ্ব-রই্ উচ্ৈঃশ্রবাঃ। সপ্তমবারে মহাগজ এরা. বতের উত্থান হয়। অষ্টমে অমুতভাঁগুসহ ধন্বন্তরি মহামহে" পাধ্যায় উখিত হইলেন। এত রত্র পাইয়াও দেবগণের মনস্তষটি হইল না। তাহার! ছুরাকাজ্ষার বশবর্তী হইয়া এবার ঘোরতর- রূপে মন্থন আরস্ত করিলেন শেষে কালকুট উ্থিত হইল। সেই হলাহল উত্তেজিত হইয়া সংসার দগ্ধ করিবার উপক্রম করিল। তখন দেবগণের অভ্যর্থনায় অনাদি অনন্ত দেব-দেব মহাদেব মহাবিষ ভক্ষণ পূর্বক সংসার স্থির করিয়া সনি অচেতন হইলেন।

তখন অভিন্ন-দেহ অভি্নাত্মা! সর্বশক্তিমতী মহাশকি- প্রভাবে বিষের শক্তি নষ্ট হইয়। গেল। তগবতীর প্রভাবে বিষের শক্তি তাঁহাতেই লীন হইল। এই সময় মৃত্যু গাত্রো- খান করিয়া স্বীয় পূর্বভাব গ্রহণ করিলেন। উর

রন প্রস্তাব পাঠ করিয়া খং ভসথযান হয় যে, আমর | 1

১৮ ভারতীয় আর্ধ্যজাঁতির আদিম অবস্থা)

যখন তন্ত্র হুর্ধযের উদয় দেখি, তখন যেন উষ্ঠার। সমুদ্র হইতে উথিত হইতেছেন, এবং উদয়গিরি-শিখরে আরোহণ করিতে- ছেন। সুর্্ু্িগুলিকে উহীর অশ্ব-শৰে নির্দেশ করা হয়, এবং পরান্র শবে ইন্্নও বুঝায়। তংপরে জগতের শোভা বদ্ধিত হয়ক্ইহাকেই লক্মীর আবির্ভাব বলা ঘায়। তখপরে দিকের গ্রকাশ | বারুণী শবে পশ্চিম দিক্‌ বুঝায়। ক্ষীর-সমুজরের কৌস্ত্রভনিধি নণিমু্া [দিবোধক। তৎপরে কল্পতরু (সামুদ্রিক উদ্ভিজ্জরাজী) অর্থাৎ মহৌষধির আবিষ্কার হইল। পরে অমৃত

সহ ধ্যন্তরির জন্ম। ইনি সম্পূর্ণ মনুধাভাবাপন্ন পরে মহা- দেবরূপ পুরুষ সমস্ত সাংসারিক ক্লেশরূপ বিষপানে অচেতন

হইলে মূলপ্রকতি তাহাকে সুস্থির করেন

পাঠক! পদার্থবিদ্যাবিৎ পঞ্ডিতের! যাহ! কহেন, তাহার সন্ধে মিল কর, দেখিবে, বৃহত্তেজের আবির্ডাবে তনিকটবর্থী দ্র ক্ষুদ্র তেজ তাহাতেই অন্তর্নান হইয়া যায়। আর্ধাজাতীয় গৌরাধিকগণ ইহা অবগত ছিলেন। কি চমৎকার বুদ্ধি অনুমান ! টি অনুমান থণে তোমাদিগের কি অদ্ভূত বুৎপ্তি! |

এই গ্রস্তাবের উপক্রমণিকা ভাগ দৃষ্টি করিলে দাত সামাজিক অবস্থার সারভাগ বুঝা ঘ। বে |

ভারত আর্ধজাতির আন জুটি ০০৮০০ উপক্রমণিকা।

আরধ্যজাতির আদিম অবস্থার বিষয় বলিতে হইলে আর্ধ্য- জাতি শবে কাহাকে বুঝায়,তাহাই প্রথমে নির্ণয় করা আবশ্ক। ভারতবর্ধীয়দিগের ধর্ণশাস্্ানুসারে ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈগ্ঠ, এই তিন জাতি আব্যজাতির মধ্যে গণ্য। শুদ্রজাতি অনার্ধ্য বলিয়! ধ্যাত। আর্ধজাতি যে স্থলে বাস করিতেন, সেই সেই স্থল পুণ্যময় ভূমি। তীহারা কুল-ক্রমাগত যে আচার অবলম্বন করিয়া লা রা সদাচার। উহা! শাস্ত্রাপেক্ষা পরম মান্ত। ইহারা যাহা অন্পৃপ্ত অণ্ডচি কহিয়াছেন, উহা আবহ- মান কাল ঠা চলিয়া আলিতেছে। ইহীরা ধর্ধশাস্ত্ের নিয়মান্ুনারে চলিয়া থাকেন। আর্ধ্যজাতির ধর্শাস্ত্ের মূল, বেদ। বেদ নিতা অপৌরুষেয়__এইরপ বিশ্বাম। বেদ চতুর্বিধ-স্ধক্‌, যু, সাম অথর্ক। বেদকে শ্রুতিও কহিয়া থাকে। লোক-পরম্পরায়শ্রত হইয়া রক্ষিত হইয়াছিল বলয়াই ইহা রতি নামে পরিগণিত্। ধিগ শুতি স্মরণ করিয়া যে সক নি প্রি করিয়া গিয়ছেন, তয় তি বাঁ

২০ ভারতীয় আর্ধজ।তির আদিম অবস্থা

ধর্শশান্ত্র। খযিদিগের মং বাহার! ধর্মশান্ত্রকাঁর বলিয়া মান্(১), সুক্লুলের স্কিসর্বকালে আদরণীয় নহে; যুগে যুগে খবিবিছটে্মিত বিশেষ বিশেষ কার্যে মাননীয় (২)। তাহারা ফৌর্িবরি ইতিহাসনমা 1 কাব্য রচনা করিয়া গিয়াছেন, তৎসমন্তও শ্রুতি স্থৃতির অষ্ঠ্রূপ চলিতেছে সেগুলির নাম পুরাগ বাঁ-উপপুরীগ কালক্রমে, দেব-দেবী-প্রণীত বলিয়া কতকগুলি পার বিদ্ৃত হইয়াছে, সে গুলিকে তন্ন বলা যায়। এগুলি বঙ্গবাঁসী ধার্্িকসম্প্রদায় বিশেষের আদরের স্থানে অধিষ্টিত দেখ] যাঁয়। |

উপরি-কখিত শাস্ত্রগুলি দৈব বা আর্ষ বলিয়৷ সকলেই শ্রদ্ধা সহকারে মানত করেন, তদ্দিষয়ে কাহারও মতদ্বৈধ প্রায় নাই। যে বিধানগুলি শ্রুতিদন্মত নয়, তাহাতেই লোকের দলাঁদলি দেখা যায়। সুতরাং ভিন্ন মতাবলদ্বীরা ভিন্ন সশ্রদায়ের লোক তদীয় অবলঙ্ষিত ধর্মশীস্্রের দোযোদেবাষণ পূর্বক দলকে

(১) মন্বত্রিবিষুহারীভযাজ্দবন্থোশনোহজগি রাঃ যমাপন্তম্বনংবর্ত! কাত্যায়নবৃহম্পততী 8॥ পরাশরব্যাসশঙ্খলিখিত দক্মগৌতমৌ শাতাতপো বশিষ্টশ্চ ধর্শান্্র প্রযোজকাঃ ৫. যাজ্জবন্ক্যসংহিত! প্রথম অধ্যায় নারদ বৌধায়ন প্রভৃতিও ধর্মশান্্রকার মধ পরিগণিত | (২) কৃতে তু মানবো ধর্ন্ত্তায়াং গৌতমঃ স্থৃতঃ।

দ্বাপরে শাঙখলিখিতঃ কলো পারাশরং স্বতঃ | ২৩। .. পরাশরসংহিভ। প্রথম অধ্যায়।

উপক্রমণিক।।] ২১

অপাগ্ক্ের করিতে পরাঘুখ হন না এই সুত্রে আর্্য-সমাজে দ্বেষ, হিংসা! গ্রতৃতি কুপ্রবৃত্তি অনায়াপ্্স্থান প্রাপ্ত হইয়াছে। [ আর্ধ্যজাতিরা ধর্মশাস্ত্রে নাস বশবর্তী; ধর্ম ইা- দিগের জীবনের সার বস্তু, স্থুতত্নাং:কেহ কাহারও 'অবলম্থিত ধর্মের প্রতি কটাক্ষ করিলে হৃদয়ে শেল বিদ্ধ হয়। তখন তাহার সঙ্গে আহার ব্যবহার করা দূরে থাকুক, বাক্যালাপ পর্যন্তও করেন না। এইরূপে ক্রমে ক্রমে পরস্পরের সঙ্গে পরম্পরের আহার ব্যবহার রহিত হয়। ইহাই একতা-ভঙ্গের অন্যতম কারণ। অনৈক্য ভাবই আর্ধ্যজাতির পতনের মূল

আর্ধ্জাতি কোথায় প্রথম বাসস্থান গ্রহণ করিয়াছিলেন, কতকাঁলই বা একত্র ছিলেন, তৎপরেই বা কোথায় গেলেন, তাহার নির্দারণ হইলে ইহাদিগের আদিম অবস্থার বিষয়ে অনেক সংবার্ প্রাপ্ত হইতে পারা যায়। অতএব প্রথমে ত্াহা-

দিগের বাসস্থুলের সীমাদি নির্দেশ করা উচিত।

_.. ইহীরা প্রথমে উত্তর দিকে আবাঁস গ্রহণ করিয়াছিলেন। ক্রমশঃ দক্ষিণাভিমুখী হন। যখন যে স্থলে অধিবাস করিতে লাগিলেন, অমনি তত্তৎ স্থলের'প্রশংসাপূর্বক সেই সেই দেশ আধ্ধ্যকূলের আবাসযোগ্য বলিয়া বিধান করিয়া রাখিতে লাগিলেন। মূল বাঁসস্থল যে উত্তর প্রান্তে ছিল, তদ্বিষযয়ে কোন সন্দেহ নাই। সকল বাঁক্তিই উত্তর টা ভাষা শিক্ষা করিতে যাইাতেন ।*্ঙ দিক্‌ বাক প্রস্থতি (৩)

(৩ ফৌধীতকী ত্রাণ হইতে ব্তরদাটী দিশং _ ীজানাদূ বাগ্‌ বৈ পা, সবিতা উদীচাং. দিশি প্রজ্ঞাততরা বা দযাতে। উদ এব যাস্তি বাছং শিক্িতুহ। বা তত আগচ্ছতি তদ্য ব| শ্তশ্রমন্তে ইতি সআহ। এবা হি বাঁে। দিক প্রজ্জাত| |.

২২ ভারতীয় আধ্যজীতির আদিম অবস্থা

আঁর্যজাতি প্রথমে কোন্‌ প্রদেশে আগিয়াছিলেন, তাহার প্রমীণে এইমাত্র জান! যায় যে, ইহীরা উত্তর হইতে প্রথম পাদবিক্ষেপে ব্রহ্গাবর্তে বাসস্থল মনৌনীত করিক্মীছিলেন। যে দেশ সরস্বতী 'ও দৃর্স্বতী এই ছুই দেবনদীর মধ্যবর্তী, তাহারই নাম ব্রহ্গাবর্ত (আধুনিক পঞ্চনন গ্রদেশ)। ব্রন্ষীবর্তে যে আচার কুলক্রমাগত চলিয়া আসিয়াছে, তাহাই সর্ধবর্ণের সাচার বলিয়া নির্দিষ্ট ছিল (৪)। ইহাদিগের বংশবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সীমা-নির্দিষ্ট স্থল অতিক্রম করা আবন্তক জ্ঞান হইলে, অধস্তন ধংশ্তের! ক্রমে দক্ষিণাতি- মুখী হইতে লাগিলেন তীহা'রা যে স্থলে আসিলেন, তাহার নাম ব্রন্দর্ষিদেশ | ইহাই দ্বিতীয় প্রস্থানের সীমা ব্রন্র্ষিদেশ চারি ভাগে বিভক্ত কুরুক্ষেত্র, মৎস্য, পাঞ্চাল শূরসেনক। রক্মাবর্ত অপেক্ষা, ব্রহ্র্ষিদেশ গৌরবে কিঞ্চিৎ স্টীন। তথাচ এতদেশ প্রস্থত ধিগ্রজাতির নিকট হইতে, আপন আপন জাতি এটর্জাদুদাবে” -সদাচার সচ্চরিত্রতা শিক্ষার উপদেশ, সকল ব্যক্তিকেই হণ করিতে হইয়াছিল। ইহাতে বোঁধ হয়, ব্রহ্র্ষি- গণ» রি স্ববেই*্তি করিয়াছিলেন ; নতুবা প্রাচীনদেশস্থ ্রানুুণকে পরিত্যাগ করিয়া, কেন অপেক্ষাকৃত আধুনিক ্া্মণগণের! নিকট শিষ্টাচার শিক্ষার আদেশ হইল? ংকালে কার্যাগোষ্ঠীর সম্তানপরম্পরা উক্ত দেশসমস্তে

নট ৮৮.

রি

৪) মরজ্তীদৃষদ্ধত্যেদেঁবনদে্যার্যদত্তরমূ।

| ভ? দেবনির্সিতং দেশং ত্রন্ধাবর্তং প্রচক্ষতে | ১৭ তশ্মিন্‌ দেশে আচার: গারম্পর্যাক্রমাগতঃ | বর্ণানা সান্তরালানাং মদাচার উচযতে ১৮

উপক্রমণিকা। ২২

ব্যাপ্ত হইয়! পড়িলেন, এবং স্থান সমাবেশ হয় না দেখিলেন,

ভংকালে তৃতীয় প্রস্থানের সদয় উপস্থিত হইল। এইবারে

মধাদেশ গ্রহণ করিলেন। হিমালয় বিন্ধ্যপর্বতের মধ্যবর্তী,

| |

'কুরুক্ষেত্রের পূর্ববর্তী, গ্রয়াগের পণ্চিমবর্তী তৃতাগকে মধ্যদেশ কৃহী যায় (৫)। যংকালে আর্ধ্কুলের অধিক বংশবৃদ্ধি হইতে লাগিল, মধ্য-

দেশ পধ্যন্ত ইহাদিগের দ্বারা সম্যক অধুাষিত্ত হইল, তথায় আর

স্থান সঞ্ধুলন হয় না, প্রভাত শ্বচ্ছন্দে বাস করা অতি কষ্টকর হইল, তংকালে চতুর্থ প্রস্থানের আবাস-ভূষির গ্রয়োজন। মনে করিলেন, এই প্রস্থানে আর্ধাজাতি যতদূর অধিকার করিবেন,

ভতদ্রই তাহাদিগের পক্ষে নিবসতির পর্যাপ্ত স্থান হইতে

ঘারিবে। তরস্থুমারে আর্ধ্যাবর্তকে চতুর্থ প্রস্থানের আবাস স্থির রুরিলেন। আরধ্যাবর্তের পুর্ব সীমা পুর্ব সাগর, গশ্চিম সীমা পশ্চিম সাগর, উত্তর লীম। হিমালয়, দক্ষিণ নীমা বিদ্ধ্যগিরি (১)

(8) কুকের মংনযান্চ পাঞচালাঃ পুরসেররী ৮. রও র্‌

২৪ ভারতীয় আর্ধ্যজাতির আদিম অবস্থা

এই বিস্তীর্ণ ভূথগ্ডও যখন আর্ধ্যকুলের পক্ষে অল্পমাত্র স্থান বলিয়! নির্দারিত হইল, অর্থাৎ পূর্বব দিকে ব্রদ্ধ রাজ্য, পশ্চিমে পারস্য রাজ্য, উত্তরে হিমালয়, দক্ষিণে বিশ্বাগিরির মধ্যবর্তী স্থান আধ্যগণের পক্ষে সন্কীরণ স্থান বলিয়া বোধ হইলে, ইহাদিগের প্রভৃতা সর্বত্র বিখ্যাত হইল, শৌরধ্য, বীর্ধ্য পরাক্রমে শ্রেষ্ঠ হইলেন, এবং অন্যের নিকট দুর্দান্ত হইলেন, তখন বিবেচনা করিলেন, এক্ষণে এজপে আর নিবসতির সীম! নির্দেশ করা উচিত নয়, বাসের যোগ্য স্থান দেখিলে তথায় বাঁদের বিধান দেওয়া কর্তব্য এমন নিয়ম করা উচিত, যাহাতে সকলে একেবারে যথেচ্ছাচারী না হয়, অথচ নিয়মটাতেও কিছু নৈপুণ্য থাকে; এরূপ কোন বিধান করাই শ্রেয়স্কর। তাদন্ুদারে পরম সুকৌশলপুর্ব নিয়ম স্থিরাক্কৃত হইল। সে নিয়মটা এই--কৃ্- সার মৃগ স্বভাবতঃ বে দেশে বিচরণ করে, সে দেশ ঘজ্িয় দেশ, তথায় অনায়াসে বাস করিতে পারেন যেখানে কষ

: রি নানার দেশ যেছেদেশত্ততঃ পর; | ২৩. এতান্‌ ছ্বিজাতয়ে। দেশান্‌ [ সহশ্রয়েরন্‌ প্রযত্ততঃ। শৃত্স্ত যন্সিন কন্মিদ্‌ বা নিবসেন্ভিকর্ষিতঃ | ২৪ |... যন্থ। ২এ।

উপক্রমণিক! | ২৫

জন্ত সর্ধত্র বাস করিতে পারিবে দ্বিজ্গণ শাস্্ীুসারে পবিত্র দেশে পবিত্র আচার ব্যবহার অবলগ্ধন করিয়া চলিবেন। তাহার অন্যথা করিলে দ্বিজগরণ শূত্রত্ব প্রাপ্ত হইবেন। উচ্চ জাতি হইতে নিকৃষ্ট জাতি মধ্যে গণনীয় না হইতে হয়, এই ভয়ে সর্বদা সকলে সদাটার সীমা অতিক্রম করিতেন না। ইহাতেই শু গ্রণের জীবন-রক্ষার উপায় হয়।

কলিযুগের ধর্-বক্তা পরাশর খষি মনে করিলেন, লোকসথ্যা অধিক হইবে, তৎকালে এতাদৃশ স্বর-পরিমিত স্থলে অধিবাসপূর্বক দ্বিজগণের জীবিকা নির্বাহ করা অতিশয় কঠিনকর; অতএব ইহাদিগের জীবন-রক্ষার উপায় করা নিতান্ত কর্তব্য। দ্বিজকুলের পরম-হিত-জনক সে উপায় আদেশটী এই-_দ্বিজাতিরা যেখানেই কেন বাম করুন না, তাহারা স্বজাতি-সমূচিত সদাচার কদাচ পরিত্যাগ করিবেন না। দ্বিজীতি সমুচিত সংক্রিয়ার স্ষঠানে রত থাকিবেন। ইহাই ধর্মমীমাংলা।

মনুর নিয়মানুসারে দ্বিজগণ-নিষেবিত স্থল রী অন্যত্র বাসে দিজাত়ির ক্রিয়া-কলাপে অধিকার কে না না? কিন্তু কলি-

ধর্মুবিৎ খষির নিয়মানুদারে দ্বিজাতিগণ: সদাচার ও. সংক্তিয়া

সম্পন্ন থাকিলেই যত্র তত্র বাস করিঝে নিষিদ্ধ নন।. এই বচনটা আর্ধ্জাতির উন্নতির একতম কারণ বলিয়া পরিগণিত হইতে পারে (৮),

(৬) গরাশর-াহহিতা--.. রি পপি পিপিপপসস

২৬ ভারতীয় আঁধ্যজাতির আদিম অবস্থা!

আর্ধ্গণ যেমন ভারতবর্ষের সমুদয় উত্তম স্থলগুলি অধিকৃত করিলেন, তংসক্ষে সঙ্গেই শাসন-প্রণালী উদ্ভাবন করিলেন ইহীরা৷ আপনাদিগের শীসনতার রাজার হস্তে অর্পণ করিলেন পরাক্রমশালী ক্ষত্রিয়কে রাজপদ. প্রদীন করিতেন নুপর্তডিত ব্রাহ্মণগণের হস্তে মন্্রণার ভার দিশ্বা নিশ্চিন্ত থাকিতেন। বৈশ্ঠ- গণের প্রতি বাণিজ্য, কৃষি প্পালন ভার নিক্ষেপ করিয়া” ছিলেন। ইহাদিগের দাদি নির্বাহ জন্য কেবল শূদ্রজাতি- কেই বশীভূত করিয়াছিলেন

আধ্যজাতি রাজশাসনের বশীভূত। ইহীরা রাজাকে ইন্দ্রাদি দরিকূপাঁলগণের অংশে অবতীর্ণ জ্ঞান করেন। এমন কি, জুরাজাকে সাক্ষাৎ ধর্শস্বরূপ জ্ঞান করিয়া চলেন। বিচারক নৃপতিকে কদাচ ভিন্ন মনে করেন ন।। বিচারাসন ধর্ম্মামন আধ্ধ্যগণের পক্ষে সমান। বিচাবগৃহ ধর্মামন্দির ইহবাদিগের নিকট তুল্য মান্য নুপতি দেবতা ইহাদিগের নিকট অভিন্ন। দেবগণ নৃপদেহে অবস্থানপূর্বক লৌক পালন করেন। স্থৃতরাং নৃপতি বালক হইেও. তাহাকে অবজ্ঞা করা অনুচিত, ইহাই ইহাদিগের এক্লাস্ত বিশবীস সত্যই ইহাদিগের পরম ধর্ম। একমাত্র ধর্ম ব্যতীত আধ্যগণের অন্য শ্রেষ্ঠ সহন্‌ নাই। পরকালেও ধর্মরূপ বন্ধু সঙ্গী হন (৯)।

) ইজ্্রানিলযমার্কাণামগ্রেশ্চ বরণন্য চ। | চন্্রবিত্বেশয়োশ্চৈব মাত্র), নিত্য শাঙ্বতী;॥ যন্মাদেযাং নুরেন্রাণাং মা্াত্যো নির্মিতে। নৃশঃ।

তন্মাদিভবত্যে সর্বসূতানি তেজসা) ৫। ৬১২৫ স্ব অ।

উপক্রমণিকা। ২৭

ডূগত্তিকে এতাদৃশ প্রধীন মনে করেন বটে, তথাপি তাহার অচ্ছিক নিয়ম কদীঁচ মান্য করেন না। রাজাকে প্রজাপাঁলন নিমিত্ত বিধান-সংছিতা। মানিতে হয় তিনি বিধি-নিষিদ্ধ কোন কর্ম করিতে সমর্থ নন। প্রজাপালন জন্য তাহাকে প্রাচীন খষিদিগের অনুষ্ঠিত জাচার ব্যবহার অন্থসারে চলিতে হয়।

তাহারা রাজ্যশীসনের যে সমুদয় ব্যবস্থা করিয়। গিয়াছেন, সেই পদ্ধতিগুলিকে শিরোধারধ্য ভান করিয়া যে নৃপতি প্রজা" পাঁলন করেন, তিনিই প্রব্ৃতিপুঞ্জের প্রিয় হন

রাজা সদগুণশালী না হইলে রাজসিংহাসনে স্থায়ী হইতে পারিতেন না। প্রজাবর্গ ষড়যন্ত্র করিয়া অন্য রাজার দন্গে

দোহস্ভবতি বাযুশঠ মৌহরকঃ সোমঃ ধর্শরাটু। নস কুষেরঃ নল বরুণঃ মহন্ত প্রভাবতঃ॥ ৭| বালোইপি নাবম্ত ব্যো মনুষ্য ইতি ভূমিপঃ। মহতী দেবতা! হোষ! নররূপেপ তিষ্ঠতি ৮? | . মন্ু। ৭আ। এক এব মুসধর্দো নিধনেইপ্যনুযাতি বঃ। শনীরেণ দমং নাশং সর্সনা্ধি গচ্ছতি8.১৭। | অন্থু। ৮অ। নাস্তি তাযমমো ধর্থো নসন্ধযাছিদাতে পরম্‌।

নহি তীব্রতরং বি দি বিদযতে। ১৯৫. /॥

রাহন্‌ রাহ হপং বঙ্গ, পা, খরঃ। র্‌

বহাভারত আিপর্ | সম্ভব শাহুন্তবে [

২৮ ভারতীয় আর্ধ্যজাতির আদিম অবস্থা

বিবাদ বিসংবাঁদ ঘটাইক্বা দিত। ভূপতিগণ তাঁহাতেই স্থশাসিত হইয়া আসিতেন। ভৃপালবর্গ শাস্তের নিয়ম লঙ্ঘনপূর্বক : অন্যায় আচরণ করিতে পারিতেন না। পৃথিবীপতি বলিয়াই যে তিনি দমাঁজকে অগ্রীহথ করিয়া চলিবেন তাহার সে স্যোগ ছিল না। তিনি কুক্রিয়! অন্যায়াচরণ জন্য সমীজের নিকট বিশেষ দায়ী দণ্ডনীয় ছিলেন পাঁপকারী নরপতিকে সিংহা- সনচ্যুত এবং তাঁহার বিশেষ শাস্তি প্রদানপুরঃসর অন। রাজাকে রাজোর অধিনায়ক করিয়! তদীয় শাদন মান্য করিতেন, তখাঁপি অরাজক রাজ্যে কদাচ বাস অথব! পাপাত্বার হস্তে আত্মসমর্পণ করিতেন ন! (১০)। |

রাজ! রাজ্যের অধিকারী ছিলেন বটে, কিন্ত কোন বিষয়েই তিনি সর্বস্কষ ক্ষমতাঁশালীট হইতে পারিতেন না। তীহাঁকে মন্ত্রিপরিবেহিত হই! রাঁজকাধ্য পর্য্যবেক্ষণ করিতে হইত। রাজ্য-রক্ষার কখা দূরে থাকুক, শাঁসন-কার্ধযও কেহ একাকী নির্ধাহ করিতে অধিকারী ছিলেন না। বিভিন্ন কার্ষ্যে বিভিন্ন ন্তিবর্গের সহায়তা গ্রহণ করিতে হই

(১০)| বহযোহবিনয়ানিষ্টা যাজানঃ সপরিচ্ছদাং। বনস্থা অপি রাজ্যানি বিদয়াত